সিরাজগঞ্জে ডাকাতি মামলায় ৩০ ডাকাতকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২য়) আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল (৩য়) আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা এ রায় দেন। এ সময় সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এরা হলেন- টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর থানার অলোয়া গ্রামের বাদশা সেখের ছেলে শাহ আলম (২৮), একই থানার বীর অলোয়া গ্রামের হাফিজ খাঁর ছেলে রঞ্জু খাঁ (২৫), খোকা সেখের ছেলে নাসির আলী শেখ (৩৫), পিরোজপুর জেলার স্বরুপকাঠি থানার মাহমুদকাঠি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে কামরুল হাসান (২৩), কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম থানার মনিহারহাট গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে সাজু মিয়া (২৫), কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার চন্দ্রপাশা গ্রামের স্বরুজ মিয়ার ছেলে আমজাদ হোসেন বাপ্পী (২৭), বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার দক্ষিণ রামসিদ্ধি গ্রামের নূর মোহাম্মদ গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম গাজী (২৭)।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে- আল আমিন, আলামিন মোল্লা, লিটন হোসেন, আলামিন, সবুজ হোসেন, ফজলুর রহমান, মোহর আলী, স্বপন আলী, সাগর আলী, সবুজ বিশ্বাস, শামীম হোসেন, শফিকুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, আলামিন, ওয়ারিশ ব্যাপারী, ইকতিয়ার রহমান, বাবুল, সোহেল রানা, সুমন ইসলাম, বশির মোল্লা, মিলন হোসেন, মিলন প্রামানিক ও আব্দুর মান্নান খান পলাতক রয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কের শ্যামলীপাড়া বাস স্ট্যান্ডের চারমাথা এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতদল দীর্ঘদিন ধরে বাসে যাত্রী উঠিয়ে মহাসড়কের ফাঁকা স্থানে নিয়ে ডাকাতি করে আসছিল। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় এমনই একটি ডাকাতির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কের শ্যামলীপাড়া এলাকা থেকে ঢাকাগামী (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৮১০৫) কোচটি বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী তোলার সময় স্থানীয় লোকদের সন্দেহ হলে কোচটি আটক করে উল্লাপাড়া থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ২৫ ডাকাতসহ কোচটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গোলাম কিবরিয়া ৩০ জনকে আসামি করে মামলা (জিআর ৩৭/১৬) দায়ের করেন। মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত বুধবার দুপুরে এ রায় দেন।
ইউসুফ দেওয়ান রাজু/আরএআর/জেআইএম