দেশজুড়ে

বনদস্যু ছোট রাজু বাহিনীর ১৫ সদস্য কারাগারে

বনদস্যু ছোট রাজু বাহীনীর ১৫ সদস্যকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার দুপুরে বাগেরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আছিফ আকরাম এ নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার রাতে ছোট রাজু বাহিনীর ১৫ সদস্যের নামে মংলা থানায় দস্যুতা ও অস্ত্র আইনে র‌্যাব-৮ এর ডিএডি সৈয়াদুজ্জামান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার ওই মামলায় বনদস্যুদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বরিশালের রূপাতলীতে বনদস্যু ছোট রাজু বাহিনীর ১৫ সদস্য দস্যুতা বাদ দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পাঁচটি বিদেশি একনলা বন্দুক, পাঁচটি বিদেশি দোনলা বন্দুক, পাঁচটি এয়ার রাইফেল, দুটি বিদেশি রাইফেল, চারটি ওয়ান শুটারসহ মোট ২১টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক হাজার ২৩৭ রাউন্ড বিভিন্ন প্রকার গোলাবারুদ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হাতে জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

দস্যুতা মামলায় কারাগার পাঠানো বনদস্যুদের মধ্যে রয়েছেন- ছোট রাজু বাহিনীর প্রধান মো. রাজু মোল্লা ওরফে ছোট রাজু (৪৮), মো. মনিরুল ইসলাম (৩৫), মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী (২৯), মো. আফজাল হোসেন (২৫), মো. হারুন সরদার (৩৮), মো. বিল্লাল গাজী ওরফে ম্যাজিক বিল্লাল (৩৬), মো. খতিব গাজী ওরফে খতিব (৩৭), মো. মিকাইল গাজী (৩৭), মো. কামরুল সরদার (৩৯), মো. ফরহাদ সরদার (২৬), মো. সালাম গাজী (৩৭), মো. মিলন শেখ (২৫) ও তার বাবা মো. জলিল শেখ, মো. ফরহাদ গাজী (৩২), মো. সাব্বির শেখ (৪২) ও মো. মনিরুল গাজী মনি (৩৯)।

দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা দাপিয়ে বেড়ানো বনদস্যু ছোট রাজু বাহিনী আত্মসমর্পণ করায় এনিয়ে গত ১১ মাসের মধ্যে ১০টি বনদস্যু বাহিনীর ১০৭ জন সদস্য ২১৬ টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১১ হাজার ৩৮০টি গুলি র‌্যাবের কাছে জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করল।

শওকত আলী বাবু/আরএআর/পিআর