বরগুনার আমতলী উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক শহিদুল ইসলামের হাত-পা কেটে নেওয়ার পর অবশেষে মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে একই দিন দুপুরে সন্ত্রাসীরা তার একটি হাত ও একটি পা কাটার পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা। সেখানেও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বরিশাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা যাবার পথে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর নামকস্থানে পৌঁছার পর রাত ৯টার দিকে তিনি মারা যান।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বাড়ি থেকে আমতলী আসার পথে সকাল দশটার দিকে চাওড়া ইউনিয়নের বাশতলা নামকস্থানে ওই শিক্ষককে আটকিয়ে সন্ত্রাসীরা এলোপাতারি কোপালে তার বাম হাত ও বাম পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে তাকে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।আমতলী থানা পুলিশের ওসি সুকুমার রায় জানিয়েছেন, এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। শহিদুলকে হত্যার অভিযোগে গতকালই চালিতাবুনিয়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম, বাহাদুর, ইয়াকুব, কাওসার ও মাহাতাবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমএএস/আরআইপি