দেশজুড়ে

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে এগিয়ে যেতে হবে : সুইডেন রাষ্ট্রদূত

সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল বৃহস্পতিবার বিকেলে দিনাজপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল। রাজদেবোত্তর এস্টেটের এজেন্ট অমলেন্দু ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি চিত্ত ঘোষ ও ধর্মসভার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ আগরওয়ালা। সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে উন্নয়ন উন্নতি ও প্রগতিকে এগিয়ে নিতে হবে। কোনো ধরনের সহিংসতা কারো কাম্য হতে পারে না। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্মীয় উৎসবে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সকলেই অংশ নেন। এদেশে কোনো ধর্মীয় গোড়ামি ও কুসংস্কার নেই। এখানকার মানুষের মন অনেক বড়। কেউ কেউ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের উপর হামলা চালান। যা কখনই এদেশের মানুষ সমর্থন করেন না। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে মজবুত করে জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বে নিজেদের তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, আমি পহেলা বৈশাখের উৎসব দেখেছি। সেখানে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে জাতীয়ভাবে এই উৎসব পালন করেন। যা দেখে আমি অনেক পুলকিত হয়েছি। সত্যি বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বলে চিহ্নিত হয়েছে। সভায় দিনাজপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে বিভিন্ন সময়ে সংঘঠিত সহিংসতার বিবরণ তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক পরিমল চক্রবর্তী তপন, পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব বিধান চক্রবর্তী বাসু, বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, অরুন চন্দ্র দাস, উত্তম কুমার রায়, আরএন দাস, নিতাই চন্দ্র, শচীন্দ্র চন্দ্র সাহা, রতন সিং প্রমুখ। আলোচনা সভার পর রাষ্ট্রদূত দিনাজপুরের ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শন করেন। জেডএম/এমএএস/আরআই