বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রির তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার সকালে কর্পুর বাজারে ওই ইউনিয়নের ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডে কার্ডধারী অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণকালে ভুয়া নামে চাল উত্তোলনের বিষয়টি লোকজনের নজরে আসে। এ সময় ডিলারের সাথে স্থানীয় লোকজনের বাকবিতণ্ডা হলে চাল দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের ম্যানেজ করে আবারও চাল দেয়া শুরু হয়।
জানা গেছে, ওই তিনটি ওয়ার্ডে হতদরিদ্র ৫০২ জনকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল কেনার জন্য কার্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে চাল বিক্রির খাতায় ২৬ জনের নাম ভুয়া হিসেবে লাল কালিতে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপরেও ওই ভুয়া কার্ডধারী কয়েকজনকে চাল দেয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা ভুয়া নামের কার্ড তৈরি করে চাল উত্তোলন করতো। চাল উত্তোলনের সময় বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে।
চালের ডিলার বকুল হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান মেম্বারদের দেয়া কার্ডধারীদের চাল দেয়া হয়। চিহ্নিত হওয়া ২৬টি কার্ড দিয়ে ২/৩ বার চাল উত্তোলন করা হয়েছে।
দিগদাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আলী তৈয়ব শামীম বলেন, মেম্বারদের দেয়া তালিকা মোতাবেক কার্ড দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তার দেয়া কোনো নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ভুয়া নামের জন্য মেম্বাররা দায়ী।
সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মির্জা শাকিলা দিল হাসিন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
লিমন বাসার/আরএআর/জেআইএম