শনিবারের ভূমিকম্পে উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত বেশ কিছু শিল্পকারখানার ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে সকল কারখানার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এসময় জীবন বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে বেরিয়ে আসার সময় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক আহত হন। এতে ইপিজেডের সকল কারখানা তাৎক্ষণিক ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের সকল শিল্পকারখানার শ্রমিকদের এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাৎক্ষণিক ছুটি ঘোষণা করা হয়। সেখানকার পরচুল তৈরির কারখানা এভারগ্রীনের ভবনটি দেবে গেছে বলে শ্রমিকরা জানান।এছাড়াও নীলফামারীর অনেক অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও ছুটি দিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। আতঙ্কিত মানুষজন রাস্তায় বেরিয়ে এসেও নিরাপদ মনে করতে পারছিলেন না। শনিবার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে প্রথম দফায় এক মিনিট ৪৪ সেকেন্ড এবং দুপুর ১টার দিকে ১০ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল এই ভূকম্পন।এদিকে প্রথম দফার ভূমিকম্পে নদী ও পুকুরের পানির উথাল-পাথাল ঢেউ ছিল চোখেপড়ার মতো। তিস্তা নদীতে নৌকা চলার সময় ভূমিকম্পে বেশ কিছু ডিঙ্গি নৌকা নদীর পানির ঢেউয়ে উল্টে যায় বলে তিস্তার মাঝি আছির উদ্দিন জানান। অপর দিকে বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিলিংফ্যান খুলে পড়ে। অনেক বাসাবাড়ির আসবাবপত্র লণ্ডখভণ্ড হয়।এমজেড/আরআই