পহেলা বৈশাখ ১৪২৪ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করেছে প্রশাসন। এবারই আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। সেই সঙ্গে এবারের বৈশাখী উৎসবে থাকছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠিখেলা, যাত্রাপালা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বৈশাখী মেলা জন্য স্টল ও মঞ্চ তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুতগতিতে। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছে মঙ্গল শোভাযাত্রার বিভিন্ন উপকরণ তৈরিতে। সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বইছে উৎসবের আমেজ।
এদিকে, বৈশাখী উৎসব উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে পুরো মেলা এলাকা সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা) দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান।
তিনি বলেন, যেহেতু এটি উন্মুক্ত অনুষ্ঠান, তাই শিক্ষার্থী অথবা বহিরাগত কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য র্যাব, পুলিশ, আনসারের পাশাপাশি প্রচুর সাদা পোশাকের পুলিশ বাহিনী মাঠে কাজ করবে। এছাড়া মেলা এবং আশপাশের সকল এলাকা কন্টোল রুম দ্বারা পরিচালিত হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী প্রথম দিন সন্ধ্যার আগেই এবং পরের দিন থেকে রাত ৮টার মধ্যেই মেলার সকল কার্যক্রম শেষ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমদিনে কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পহেলা বৈশাখ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
পরে সকাল ১০টায় মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে মেলাস্থলের মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারি।
প্রথম দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় পর্ব বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর আব্দুল মুঈদের নেতৃত্বে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
তৃতীয় দিন রোববার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গ্রাম বাংলার মাটি ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হবে।
ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/এএম/এমএস