খাগড়াছড়ির দীঘিনালার ছোটমেরুং হাজাছড়া এলাকা থেকে মো. আমান উল্যাহ (৫৭) নামে এক বৃদ্ধকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় উদ্ধার করে দীঘিনালা থানা পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া আমান উল্লাহ (৫৭) মাটিরাঙা উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের মৃত আলী আজমের ছেলে এবং শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দীঘিনালার ছোটমেরুং মাইনী নদীর পূর্ব পাড়ে হাজাছড়া যাওয়ার রাস্তার পাশে কে বা কারা এ বৃদ্ধকে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে হাত পা বেঁধে মুখে স্কচটেপ দিয়ে নদীর পাড়ে মাটির নিচে পুতে রাখে। খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রেরণ করে।
ঘটনার কারণ উদঘাটনে দীঘিনালা থানা পুলিশ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। তবে রোগীর পরিপূর্ণ জ্ঞান না ফেরায় বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তামাক চাষের জন্য লাভের ওপর দেওয়া টাকা নিতে এসেই এ অবস্থার শিকার হয়েছেন পাওনাদার মো. আমান উল্লাহ।
দীঘিনালার মেরুং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. লোকমান হোসেন জানান, হাজাছড়া এলাকায় মাঈনী নদীতে একটি লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লোকটিকে জীবিত পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। নদী থেকে উদ্ধারের সময় ভিকাটমের দুই হাত, দুই পা বাঁধা ছিল এবং মুখে স্কসটেপ লাগানো ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
মাটিরাঙা থানার ওসি মো. সাহাদাত হোসেন টিটো উদ্ধার হওয়া মো. আমান উল্লাহর স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, মো. আমান উল্যাহ দীঘিনালায় তামাক চাষের জন্য টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। আর সে টাকা উদ্ধারের জন্যই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে কার কাছে বিনিয়োগ করেছেন তা স্বজনরা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এফএ/এমএস