নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বামীকে জেল হাজত থেকে জামিনে বের করার সহযোগিতার আশ্বাসে ডেকে নিয়ে এক তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বামীর বন্ধু।
শনিবার সকালে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করে দুপুরে পুলিশ নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতার ধর্ষক ইমরান হোসেন (২২) ফতুল্লার মাসদাইর পাকাপুলের মোমেন আলীর ছেলে, পশ্চিম মাসদাইর এলাকার অ্যাডভোকেট সাব্বির হোসেন সাগরের ছেলে মামুন হোসেন আশিক (২১)। গণধর্ষণের ঘটনায় শনিবার সকাল ওই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় দুই ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার বরাত দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন জানান, ফতুল্লার মাসদাইর বেকারী মোড় এলাকার ওই তরুণী (২৩) স্থানীয় একটি হোসিয়ারিতে চাকরি করেন। তার স্বামী একটি মামলায় জেলহাজতে রয়েছেন।
একই এলাকায় তার স্বামীর বন্ধু মোমেন আলীর ছেলে ইমরান গত ৪ মে রাতে উক্ত তরুণীকে ফোন করে তার স্বামীকে জেল হাজত থেকে ছাড়িয়ে আনার সহযোগিতার করার কথা বলে তার বাড়িতে যেতে বলে। পরে তরুণী তার হোসিয়ারির ডিউটি শেষে ইমরানের বাসায় যাওয়ার পর একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ইমরানসহ অজ্ঞাত আরেকজন মিলে ধর্ষণ করে।
এ সময় ওই তরুণী তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে তরুণী চিৎকার করলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। অবশেষে ফোন করে জানালে তার বাবা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মজিবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়ার পর তাৎক্ষণিক তদন্ত করে ধর্ষণের ঘটনায় জতির ইমরান ও আশিককে গ্রেফতার করা হয়।
মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/জেআইএম