দেশজুড়ে

বনানীর ধর্ষক হালিমের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার নির্দেশ

রাজধানীর বনানীতে হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ও প্রতারণার মাধ্যমে কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতির পদ ব্যবহার করে লাগানো ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতারা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাগো নিউজকে এই তথ্য জানালেন কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সেলিম রেজা।

তিনি বলেন, প্রতারক হাসান মোহাম্মদ হালিম কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি পদ ব্যবহার করে যে ব্যানার-পোস্টার লাগিয়েছেন সেগুলো নেতাকর্মীদের ছিঁড়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের একজনের বাড়ি সিরাজগঞ্জের গান্ধাইলে জানতে পেয়ে সিরাজগঞ্জে অবস্থানরত স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে রাতেই ধর্ষককে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।

আসামিকে পাওয়া না গেলে তার পরিবারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে আসামিকে হাজির করার জন্যও পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সেই নির্দেশ মোতাবেক বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত নাঈমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। পাশাপাশি তার আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে বলে জানিয়েছে কাজিপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোখলেছুর রহমান।

এসআই বলেন, নাঈমের এক ভাই এক বোন। কাজিপুরের সর্বত্র পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। নাঈম কাজিপুরে প্রবেশ করা মাত্র তাকে গ্রেফতার করবে পুলিশ। তবে নাঈম নামে কাজিপুরের লোকজন তাকে চেনে না। ছদ্মনাম ব্যবহার করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/জেআইএম