দেশজুড়ে

আরও ৪ জেলায় ১০ নং বিপদ সংকেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি গত মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছে ‘মোরা’। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে এটি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল আঘাত হানতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজারসহ উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুরকে ১০ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোরার কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরসমূহকে ‘সাত’ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ‘১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত’ দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া পায়রা ও মংলা বন্দরকে ‘৫’ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ‘৮’ নম্বর পুনঃ ‘৮’ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান সোমবার বিকেলে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সেই সঙ্গে আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোরা পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে কিছুটা উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ছাড়াও উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূল অতিক্রমের সময় কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ইতোমধ্যে ‘মোরা’র প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। অস্বাভাবিক উচ্চতায় উঠে গেছে বঙ্গোপসাগরের ঢেউ। উপকূলীয় এলাকায় সোমবার বিকেল থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসতে শুরু করেছে কক্সবাজারে নিম্নাঞ্চলের মানুষ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সন্ধ্যার আগে উপকূলের মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।

এএম/পিআর