ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ মোকাবেলায় চাঁদপুরের চরাঞ্চলের ৪ হাজার লোককে ১১৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। অন্যদের সরিয়ে আসার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। চাঁদপুর থেকে সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিন নদীর মোহনা চাঁদপুর বড়স্টেশন পরিদর্শন শেষে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মন্ডল এসব কথা জানান।
তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে নদীর তীরবর্তী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের স্কুলে গিয়ে যার যার অবস্থা অনুযায়ী খাদ্য সামগ্রী তৈরি রাখতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সকল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ১১৩টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ থেকে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ শক্তিশালী আকার ধারণ করে ১৩৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে টেকনাফ উপকূল দিয়ে অতিক্রম করতে শুরু ঘূর্ণিঝড়টি। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এ আঘাত হানে।
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূল এখন উত্তাল। এছাড়াও সেন্টমার্টিন ও কুয়াকাটায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এখন হালকা বৃষ্টি ও শীতল হাওয়া বইছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগরের গর্জন দানবীয় আকারে রূপ নিচ্ছে।
ইকরাম চৌধুরী/আরএআর/এমএস