দেশজুড়ে

বগুড়ায় ম্যাটস’র ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ

বগুড়ায় টিএমএসএস মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট টেনিং স্কুলের (ম্যাটস) এক ছাত্রীকে হত্যা করে মরদেহ লিফটের সুড়ঙ্গের মধ্যে ফেলে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার শিকার নিহত ছাত্রী ইসমত আরা পারভিনের বাবা গাজিউল ইসলাম এই অভিযোগ করার পাশাপাশি মরদেহ উদ্ধারে কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার কথা জানিয়েছেন।

টিএমএসএসের কর্মচারীরা নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় বিকট শব্দ পেয়ে তিনি ছুটে বের হন। এরপর টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন লিফ্টের ফাঁকা সুড়ঙ্গের মধ্যে ম্যাটসের ছাত্রী ইসমত আরা পারভিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ইসমত আরা পারভিনের বাবা বগুড়ার সোনাতলার হোলিদাবগা গ্রামের গাজিউল ইসলাম জানান, তিনি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডে চাকরি করেন। বগুড়ায় ছুটিতে এসেছিলেন। সোমবার রাত ১টার দিকে মিজান নামের একজন তার স্ত্রী রওশন আরার কাছে মোবাইলে ফোন দিয়ে বলেন, ইসমত আরা পারভিন হাসপাতালের ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে। ওই খবরটি রওশন আরা তাকে জানালে তিনি রাত আড়াইটায় ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।

গাজিউল আরও জানান, মরদেহের গায়ে ওড়না ছিল না। এমনকি তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইলও পাওয়া যাচ্ছে না। ওই মোবাইলে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। গলায় স্বর্ণের চেন ছিল। কানে দুল ছিল। সেগুলোও পাওয়া যাচ্ছে না। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-অপারেশন ) আবুল কালাম আজাদ বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সময় মোবাইল কিংবা স্বর্ণ কিছু পাওয়া যায়নি। কীভাবে ওই ছাত্রী মারা গেল তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর বলা যাবে। মঙ্গলবার দুপুরে ইসমত আরার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।

লিমন বাসার/এএম/পিআর