লক্ষ্মীপুরের রায়পুুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে বাবা-ছেলেকে লাঠিপেটা করার অভিযোগ উঠেছে।
তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) বিকেলে ইউপি চেয়ারম্যানের বিচারের দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিত পরিবারটি। তবে ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন, চকিদারকে মারধর করায় তিনি সবার সামনেই তাদের দুই চড় দিয়েছেন। লাঠিপেটার ঘটনা সত্য নয়।
স্থানীয় সূত্র ও আহতরা জানিয়েছে, উপজেলার পূর্ব চরপাতা গ্রামে জয়নাল আবেদীনের পরিবার সঙ্গে খলিল হোসেনের তাদের পূর্ব বিরোধ চলে আসছে। জয়নাল ইউপি চেয়ারম্যানের ফুফাতো ভাই।
গতকাল বুধবার (৭ জুন) দুপুরে জয়নালের বাড়ির ময়লা পানি খলিলের বসতঘরে আসে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় জয়নাল গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানায়।
পরে চেয়ারম্যান তিনজন গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে খলিল, তার স্ত্রী খুকি বেগম, ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী রাহাত হোসেনকে ইউপি পরিষদে ডেকে আনে। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই চেয়ারম্যান খলিল ও রাহাতকে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করে। তাদের হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ফেলা জখমের চিহ্ন রয়েছে।
চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন, একাধিকবার খলিলের পরিবারকে পরিষদ থেকে নোটিশ করা হলেও তারা আসেনি। তারা খুব খারাপ প্রকৃতির লোক। ঘটনার সময় তাদের ডেকে আনতে গেলে চকিদারদের ওপর হামলা করে। ইউপি কার্যালয়ে এসেও বেয়াদবি করায় তাদের দুই চড় দেয়া হয়। পরে তারা ভবিষ্যতে জয়নালদের সঙ্গে ঝগড়া করবে না বলে অঙ্গীকার করে চলে যায়।
এ ব্যাপারে রায়পুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, ঘটনাটি কেউ পুলিশকে জানায়নি। আহতরা লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কাজল কায়েস/এএম/জেআইএম