দেশজুড়ে

ঠাকুরগাঁওয়ে পাঠাগারের চাল আত্মসাতের চেষ্টা

দিনমজুরকে সভাপতি ও ভ্যান চালককে সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে একটি পাঠাগারের নামে বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও বড়গাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাত কুমার সিংয়ের বিরুদ্ধে।এ নিয়ে ওই পাঠাগারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।তবে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি, তার স্বাক্ষর জাল করে কেউ এটা করার চেষ্টা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।এদিকে, একই কাগজে স্থানীয় সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার স্বাক্ষর রয়েছে। আলোর দিশা নামে ওই পাঠাগারের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক লিটন আহম্মেদ জানান, ২০১৫ সাল থেকে তারা সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন। কাগজে যাদের নাম রয়েছে তারা কেউ এ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নয়।আলোর দিশা পাবলিক পাঠাগার নামে এই সংগঠনটি এলাকার গরিব শিশুদের বিনামূল্যে পাঠদান, অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা, মিলাদ মাহফিল ও কুলখানিতে কোরআন তেলাওয়াত, কারও মৃত্যু হলে ওই বাড়িতে বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা, কাঁচা রাস্তা সংস্কারসহ নানান সেবামূলক কাজ করে থাকে। সংগঠনের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে যে অর্থ পায় তা দিয়েই চলে সংগঠনটি।ঠাকুরগাঁও সদরের ইউএনও রুহুল আমিন জানান, পাঠগারের তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দকৃত তালিকায় স্বাক্ষর করা হয়েছে। যদি কেউ ভুয়া তালিকা দিয়ে বরাদ্দ উত্তোলন করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, স্থানীয় এমপি ও ইউপি চেয়ারম্যান যেভাবে তালিকা দেয় সে অনুয়ায়ী বরাদ্দকৃত চাল বা গম বিতরণ করা হয়।এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এমপি রমেশ চন্দ্র সেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। মো. রবিউল এহসান রিপন/এসআর