দেশজুড়ে

কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার ৬ যুদ্ধাপরাধী

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা থেকে বাদশা মিয়া মেম্বর (৬৫) নামে আরো এক যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজির পাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে পৃথক অভিযানে মহেশখালী থেকে ৬ যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার করা হলো। মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোহাম্মদ ফেরদাউস বাদশা মিয়া মেম্বরকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।  কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ জাগো নিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানির প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের বেঞ্চ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ১৬ যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ নলবিলা গ্রামের মৌলভী নুরুল ইসলাম (৭২), মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা এলাকার মৌলভী ওসমান গনি (৬৫) ও মহুরী ডেইল এলাকার মো. জিন্নাহ আলী (৭৫) নামে তিন যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সূত্র আরো জানায়, বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রসিকিউশন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার পাশাপাশি তদন্ত শেষ করতে তিন মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদন গ্রহণ করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ও ইতোপূর্বে মানবতা বিরোধী অপরাধে আটক ২ জনসহ অভিযুক্ত ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেন। যুদ্ধাপরাধ অভিযোগে কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি অ্যাড. সালামত উল্লাহ খান ও সাবেক সংসদ সদস্য রশিদ আহমদকে আটক করে ট্রাইব্যুনাল। তারা আদালতের নির্দেশে কারান্তরিণ। বৃহস্পতিবার সালামতউল্লাহ খানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে প্রসিকউশন।বৃহস্পতি ও শুক্রবার গ্রেফতার করা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের ঢাকায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে উল্লেখ করে তিনি মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন। সায়ীদ আলমগীর/এমজেড/এমএস