দেশজুড়ে

যশোর বোর্ডে শীর্ষে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ

যশোর শিক্ষা বোর্ডের সেরা ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ। গত বছরও এ প্রতিষ্ঠান শীর্ষস্থানে ছিল। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ৪৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।অভাবনীয় উন্নতি করে যশোর পুলিশ লাইন স্কুল এবার বোর্ডে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। গত বছর এ স্কুল ৪র্থ ও ২০১৩ সালে ৭ম অবস্থানে ছিল। তাদের ৯০ জন শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮১ জন। এ স্কুলের পয়েন্ট ৮৬ দশমিক ৩৮।গত বছর ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের সাথে যৌথভাবে শীর্ষ স্থানে থাকা খুলনা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল এবার তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। তাদের ১০৬ শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হলেও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৪ জন। তাদের অর্জিত পয়েন্ট ৮২ দশমিক ৭৭।সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেছে খুলনা পাবলিক কলেজ এবার উঠে এসেছে ৪র্থ অবস্থানে। বোর্ড সেরার তালিকায় গত বছর এ প্রতিষ্ঠানটি ৯ম এবং ২০১৩ সালে ২০তম অবস্থানে ছিল। তাদের ১৭২ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২০ জন। অর্জিত পয়েন্ট ৮২ দশমিক ৬০।গত বছর ২য় স্থানে থাকা খুলনার সরকারি করোনেশন বালিকা বিদ্যালয় এবার নেমে গেছে ৫ম স্থানে। এই স্কুলের ২৯২ জন ছাত্রীর মধ্যে ২৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮০ জন। এ স্কুলের পয়েন্ট ৮২ দশমিক ২২।দু’বছর ধরে ৫ম স্থানে থাকা কুষ্টিয়া জিলা স্কুল এবার একধাপ নেমে ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে। তাদের ২৭৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৪ জন ছাড়া সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬৬ জন। অর্জিত পয়েন্ট ৮১ দশমিক ৮২।ক্রমেই নিম্নমুখি হচ্ছে খুলনা জিলা স্কুলের ফলাফল। গত বছরের তৃতীয় সেরা এই স্কুলটি এবার নেমে গেছে ৭ম স্থানে। আর ২০১৩ সালে বোর্ডের শীর্ষ স্থানে ছিল এই স্কুলটি। এবার খুলনা জিলা স্কুলের ৪৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৩০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০১ জন। এ স্কুলের পয়েন্ট ৮০ দশমিক ৫২।তবে অবস্থান ধরে রেখেছে যশোর জিলা স্কুল। গত বছর ৮ম স্থানে উঠে আসা স্কুলটি এবারও একই অবস্থানে রয়েছে। ২০১৩ সালে এ স্কুলের অবস্থান ছিল ১৫তম। তাদের ২৩৬ শিক্ষার্থীর মাত্র ৪ জন ছাড়া সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪০ জন। অর্জিত পয়েন্ট ৭৯ দশমিক ৮৬।গত বছর ১৬তম অবস্থানে থাকা খুলনা ল্যাবরেটরি হাইস্কুল এবার বোর্ড সেরার তালিকায় ৯ম স্থানে উঠে এসেছে। তাদের ১৭৪ জনের মধ্যে একজন ছাড়া সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯১ জন। স্কুলটির অর্জিত পয়েন্ট ৭৭ দশমিক ১২।চার ধাপ এগিয়ে যশোর দাউদ পাবলিক স্কুল এবার বোর্ড সেরার ১০ নম্বরে অবস্থান করছে। তাদের ৯১ ছাত্র-ছাত্রীর সবাই উত্তীর্ণ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮ জন। অর্জিত পয়েন্ট ৭৬ দশমিক ৩৬।গত বছর ১০ম স্থানে থাকা যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় এবার এক ধাপ নেমে ১১তম অবস্থানে রয়েছে। তাদের ২৫৭ ছাত্রীর মধ্যে ২৫৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৯ জন।গতবারের অবস্থান ধরে রেখে এবারো ১২তম স্থানে রয়েছে কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। তাদের ২৯৬ জন ছাত্রীর মধ্যে ২৯২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৩ জন।বোর্ড সেরার তালিকায় ১৩তম স্থানে রয়েছে যশোরের সেখ আকিজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। গত বছরও তারা একই স্থানে ছিল। তাদের ১৬২ শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন ছাড়া সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৫ জন।একধাপ এগিয়ে ১৪তম স্থানে রয়েছে খুলনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। তাদের ১২৩ শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৮ জন।এবারই প্রথম সেরা ২০ এর তালিকায় অবস্থান নেয়া খুলনার ডুমুরিয়ার শাহপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৫তম স্থানে। তাদের ৫১ শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন।এছাড়া ১৬তম স্থানে থাকা কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুলের ১৫৬ জনের মধ্যে মাত্র একজন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৮ জন। ১৭তম স্থানে থাকা ঝিনাইদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৪২ জনের মধ্যে একজন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ জন।১৮তম স্থানে থাকা খুলনা বিদ্যুৎকেন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন উত্তীর্ণ এবং ২৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ১৯তম স্থানে থাকা যশোরের ঝিকরগাছা এমএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০৬ জন উত্তীর্ণ এবং ৫০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।একধাপ নেমে বোর্ড সেরা ২০ এর তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে খুলনার নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গত বছর তারা ছিল ১৯তম অবস্থানে। তাদের ২২৭ জন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে ২১৯ জন উত্তীর্ণ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮১ জন।মিলন রহমান/এসএস/আরআই