কুড়িগ্রামে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যার অন্যতম আসামি জাহাঙ্গীর ওরফে রাজিব ওরফে রাজিব গান্ধী (২৫) ও গোলাম রব্বানীকে (২২) কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর একটায় জেলা ও দায়রা জজ ওএইচএম ইলিয়াস হোসেন এর আদালতে বিস্ফোরক মামলায় এ দুজনকে হাজির করা হয়। বিচারক অপর আসামি রিয়াজুল ইসলাম ওরফে মেহেদীকে (৩০) গ্রেফতারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩০ আগস্ট নির্ধারণ করেন।
কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ কুড়িগ্রাম শহরের গাড়িয়াল পাড়া এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে সকালে প্রাতভ্রমণের সময় রাস্তায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যার পর ককটেল ফুটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনায় নিহতের ছেলে রাহুল আমিন আজাদ (৩০) বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত মামলায় ৭ জন আসামির মধ্যে ৪ জঙ্গি দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' মারা যায়। অপর তিনজনের মধ্যে জাহাঙ্গীর ওরফে রাজিব ওরফে রাজিব গান্ধী ও গোলাম রব্বানীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও অপর আসামি রিয়াজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী এখনো পলাতক রয়েছে।
মৃত আসামিরা হলেন, বগুড়া জেলার চপিনগর ইউনিয়নের কুষ্টিয়া মন্ডলপাড়া গ্রামের আবু হোসেনের ছেলে খাইরুল ইসলাম ওরফে বাঁধন ওরফে পারুল (২২), দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার দক্ষিণ দেবীপুর উত্তর পাড়ার আব্দুল হাই প্রধানের ছেলে শফিউল আলম ওরফে সোহান ওরফে আবু মুকাদিল ওরফে ডন (১৯), পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহারগঞ্জ গ্রামের আব্দুল মিয়া মুন্সির ছেলে নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক নজরুল ওরফে বাইক হাসান ওরফে হাসান ওরফে বাশির (২৬) এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চর বিদ্যানন্দ গ্রামের আলম জোলার ছেলে সাদ্দাম হোসেন ওরফে চঞ্চল ওরফে রাহুল ওরফে সবুজ ওরফে রবি (২০)।
নাজমুল হোসেন/এফএ/জেআইএম