দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেছেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ট্রানজিটের দেশ। ট্রানজিট দিয়ে আমরা বহু টাকা অর্জন করতে পারি। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের আস্থা বেড়েছে। এটা উন্নয়নের জন্য এটা ভাল দিক।বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য বৈষম্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যে ঘাটতি আছে। আমাদের নতুন নতুন শিল্প কল-কারখানা গড়ে তুলতে হবে এবং নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন করতে হবে। আর যেন রফতানি বৃদ্ধি হয়, সেজন্য চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন করতে হবে। পণ্যের বৈচিত্র আনতে হবে। নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে হবে।ড. আব্দুল মাতলুব বলেন, এফবিসিসিআই সংগঠনকে রিফর্ম করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। সকল ব্যাংক ব্যবসায়ীদের যেভাবে সহযোগিতা করছে তাতে সুদের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।তিনি আরো বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন বাংলাদেশ সফরের সময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে ৩৫ জন শিল্পপতি আসবেন। তারা যাতে বাংলাদেশে শিল্প কলকারখানা গড়ে এবং পুঁজি বিনিয়োগ করে আমরা সেই আহ্বানই জানাবো। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আগে দেশের কথা ভাবতে হবে।এর আগে ড. আব্দুল মাতলুব বেলা সোয়া ৩টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি ফাতেহা পাঠ, মাজার জিয়ারত, বিশেষ মোনাজাত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।এ সময় এফবিসিসিআই`র প্রথম সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম মহিউদ্দিন, ঢাকা ওম্যান চেম্বারের সভাপতি সেলিনা আহম্মদ, অপসাইডিয়ান বাংলাদেশ লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ফাজলে ফাহিমসহ পরিচালনা পর্ষদের ৫১ জন পরিচালক ও গোপালগঞ্জ চেম্বারের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এসএম হুমায়ূন কবীর/এআরএ/আরআই