ঋণ পরিশোধ না করার অভিযোগে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশা’র কর্মকর্তা এক দরিদ্র দম্পতির বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারপিট করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সমিতির সদস্য মারুফা খাতুন ও তার স্বামী খলিলুর রহমানকে ওই কর্মকর্তার নির্দেশে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ এই দম্পতির।
সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে ঘটে এমন অমানবিক ঘটনা। আহত মারুফা ও খলিল বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মারুফা খাতুন জানান, গত ১২ বছর ধরে তিনি ও তার স্বামী আশা সমিতির সদস্য হিসাবে টাকা সঞ্চয় করে আসছেন। কিছুদিন আগে তারা ৩০ হাজার টাকা ঋণ নেন। সপ্তাহে ৮০০ টাকা তাদের বইয়ের বিপরীতে জমা দিয়ে আসছেন। এরই মধ্যে ৪৪ সপ্তাহ কিস্তির ৩০ সপ্তাহ পারও করেছেন তারা।
মারুফা আরও জানান, সমিতির কাছে তিনি সর্বোচ্চ আট হাজার টাকা ঋণী রয়েছেন। অপরদিকে, বাড়তি সঞ্চয়ের পাঁচ হাজার টাকা তারা সমিতির কাছে পাবেন। এমন অবস্থায় লোন অফিসার রফিকুল ইসলাম তাদের জমাদান বই নিয়ে গেছেন। এর বিপরীতে নতুন একটি বই হাজির করে তিনি ঋণের টাকা দাবি করছেন।
মারুফা ও তার স্বামী খলিল আরও জানান, লোন অফিসার রফিকুল ইসলাম গ্রামের দুই সন্ত্রাসী মনিরুল ইসলাম ও আনিসুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে আসেন। একপর্যায়ে জমা টাকা নিয়ে লোন কর্মকর্তা রফিকুলের নির্দেশে মারুফা ও তার স্বামী খলিলকে মারধর করেন।
ঋণের টাকা আদায় করতে তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম এমনটা জানিয়ে আশা সমিতির লোন অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সামনে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। তবে এটা তাদের নিজেদের ব্যাপার। তাদের কাছে টাকা পাওনা রয়েছে যে কারণে সঞ্চয় বই আটকে রাখা হয়েছে।
আকরামুল ইসলাম/এএম/আইআই