নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় সাখাওয়াত হোসেন খানসহ অন্য আসামির মধ্যে রয়েছেন- মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জল হোসেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আকরাম প্রধান, মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আকতার হোসেন খোকন শাহ, নূর মোহাম্মদ, মোশারফ হোসেন।
এছাড়া জিয়াউর রহমান জিয়া, মোশারফ হোসেন, শাহীন আহম্মেদ, আনোয়ার, রাজু আহম্মেদ, কামাল হোসেন, কাঞ্চন ও মাহমুদুর রহমানকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস পালন উপলক্ষে ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে শহরের ডিআইটিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।
এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এমনকি নেতাকর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। তবে মিছিল করার সময় জিয়াউর রহমান জিয়া, মোশারফ হোসেন, শাহীন আহম্মেদ, আনোয়ার, রাজু আহম্মেদ, কামাল হোসেন, কাঞ্চন ও মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মঙ্গলবার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুরিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শাহীন পারভেজ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিনা অনুমতিতে শহরে মিছিল বের করে যানজট সৃষ্টি, ভাঙচুর, পুলিশের কাজে বাধা ও নাশকতার চেষ্টার কারণে বিস্ফোরক দ্রব্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেফতারদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মো: শাহাদাত হোসেন/এএম/আইআই