জাতীয়

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে গোয়েন্দা নজরদারি, ইতিহাসের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতেই গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, এবার নির্বাচনে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিক থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে নির্বাচনের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব তথ্য জানান তিনি।

প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিই গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় থাকবে। শুধু প্রকাশ্য নিরাপত্তাই নয়, প্রযুক্তিগত সব ধরনের সহায়তা সর্বোচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকবে, যাতে কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

শফিকুল আলম বলেন, ‘মূল লক্ষ্য হচ্ছে খুব দ্রুত রেসপন্স করা এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধার করা, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন।’

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের আপামর জনগণ শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

‘আমরা বিশ্বাস করি, এবারের নির্বাচন একটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোটের উৎসব আবার ফিরে আসবে,’ বলেন তিনি।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, এত বিস্তৃত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে সরকার দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।

এমইউ/বিএ