সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বালিঘুগরী গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিত্যক্ত বাঁধের ২০ ফুট এলাকা যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে গত কয়েক দিনে জেলার ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ৪ শতাধিক ঘর-বাড়ি নদীতে চলে গেছে।এদিকে শনিবার দুপুরে আকস্মিকভাবে ওই বাঁধে আবারো ধস দেখা দিলে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অন্যদিকে একই সাথে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙন।এলাকাবাসী জানান, বর্ষা মৌসুমের শুরু হতে না হতেই যমুনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে শুরু হয়েছে ভাঙন।এদিকে, যমুনার পূর্বপাড় চৌহালী উপজেলার বোয়ালকান্দি থেকে পাথরাইল পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে চৌবাড়িয়া পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বীরবাসুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আড়কাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরজাজুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেহাইকাউলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চৌহালী মহিলা মাদ্রাসার পরিত্যক্ত ভবন ইতোমধ্যেই যমুনায় বিলীন হয়েছে। তবে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার কথা চিন্তা করে তাদের অন্যত্র নিয়ে পাঠ দান করা হচ্ছে।এদিকে গত কয়েক দিনে জেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চৌবাড়িয়াপূর্ব পাড়া, চরছলিমাবাদ, হাটাইল দক্ষিণপাড়া ও চরবিনানুই, খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের চোদ্দরশি ও উত্তর খাষকাউলিয়া, খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নের মিটুয়ানী ও শাকপাল, ওমরপুর ইউনিয়নের পাথরাইল ও শৈলজানা ও ঘোরজান ইউনিয়নের চরজাজুরিয়া এলাকার প্রায় ৪ শতাধিক ঘর-বাড়ি, বিভিন্ন কাঁচাপাকা স্থাপনাসহ কয়েক’শ একর আবাদি জমি যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে।এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ প্রকৌশলী ফজলুল হক জানান, বাঁধটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করায় কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ এ বাঁধের পরেও আরো একটি বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে।বাদল ভৌমিক/এমএএস/আরআই