দেশজুড়ে

শরীয়তপুরে ধসে পড়া হাসপাতালের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ বন্ধ ঘোষণা

শরীয়তপুরে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের স্লাব থেকে কনক্রিট ধসে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটির এক্সরে বিভাগ, প্যাথলজি বিভাগ ও চিকিৎসকদের রুম ব্যবহার না করার জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চিঠি দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ। চিঠি পাওয়ার পর ওই ভবনের রুমগুলো তালাবদ্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আগামী রোববার ওই ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষগুলোর সমস্ত মালামাল ও আরএমওসহ চিকিৎসকদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সদর হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, তিনতলা বিশিষ্ট শরীয়তপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিচতলায় বিকট শব্দ হয়। এতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীসহ অন্যান্য লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় নিচ তলার ছাদের অনেক অংশ জুড়ে কনক্রিট খসে পড়ছে। 

হাসপাতালের নিচতলার ছাদটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই পরবর্তী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বৃহস্পতিবার হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের স্বাক্ষরিত চিঠি শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর পাঠানো হয়। পরে বিকেলে হাসপাতালের পুরাতন প্রথম তলা ভবনটি শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। 

জানা যায়, ভবনটির নিচতলা ১৯৮৮ সালে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা ২০১৩ সালে নির্মিত হয়। ইতোপূর্বে ভবনটি প্রথম তলা কয়েক দফায় মেরামত ও সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছিল। 

এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আব্দুল্লাহ বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণপূর্ত বিভাগের চিঠি পেয়েছি। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ওই ভবনের কক্ষের সরঞ্জাম ও চিকিৎসকদের আগামী রোববারের মধ্যে অনত্র সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোথায় নেব তা এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি।

ছগির হোসেন/এফএ/আরআইপি