রাজনীতি

ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে প্রগতিশীল জোটের হুঁশিয়ারি

নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজ পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের নেতাকর্মীরা। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক ঘুরে ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।পুলিশ-ছাত্রলীগের সহ অবস্থানেই জোটের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করা হয়েছে- এমন অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কলেজগুলোর শান্তিপূর্ণ পরিবেশের ঘোষণা দিয়েও ছাত্রলীগের সঙ্গে পরোক্ষভাবে মিলিত হয়েছে। পুলিশ জনগণের পক্ষের না তারা সরকার পক্ষের লোক। তারা এখন সরকারের তোষামোদে ব্যস্ত থাকে।বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সৈকত মল্লিক বলেন, পুলিশ ও ছাত্রলীগ এক হয়েছে এখন আর কোনো অপেক্ষা নয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করা হলে পাল্টা আঘাতের প্রস্তুতি নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আগামী আন্দোলনে তোলারাম কলেজের সকল শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এ সময় তিনি প্রতিশোধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি লিটন নন্দি বলেন, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, হল দখলসহ নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য কাজে জড়িত। তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে প্রগতিশীল ছাত্রদের প্রতিহত করতে তারা ব্যস্ত হয়ে যায়। ছাত্রলীগের পুরানো ঐতিহ্য ভুলন্ঠিত হয়েছে। এখন আর সময় নেই। পাল্টা আঘাতের প্রস্তুতি নিন।প্রগতিশীল ছাত্র জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক মশিউর রহমান রির্চাডের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিপিবির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদের সমন্বয়ক নিখিল দাস, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব,  নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি প্রদীপ ঘোষ বাবু, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের জেলার সভাপতি মৈত্রী ঘোষ প্রমুখ।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে সরকারি তোলারাম কলেজে ভর্তি বাণিজ্য ও ছাত্রলীগের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়ে হামলা ও মারপিটের শিকার হয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।# প্রগতিশীল জোটের নেতাকর্মীর উপর ছাত্রলীগের হামলাশাহাদাৎ হোসেন/এআরএ/আরআই