নাটোরের লালপুরে মাত্র দুই মিনিটের টর্নেডোতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে তিন ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রাম। সেই সঙ্গে বিধ্বস্ত হয়েছে শতাধিক বাড়িঘর।
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য গাছপালা। গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে হঠাৎ এই টর্নেডো ধেয়ে আসে। তাণ্ডব স্থায়ী হয় মাত্র দুই থেকে তিন মিনিট। এতে শতাধিক বাড়িঘড় ও একটি বিদ্যালয় উড়ে যাওয়াসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
আহত ১০ জনের মধ্যে ৫ জনকে লালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঝড় থামার পরপরই স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, লালপুরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির (এসিল্যান্ড) ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান।
আরবাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী ও এলাকাবাসী জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করেই ঝড় শুরু হয়। ঝড়ে আরবাব ও লালপুর ইউনিয়নের ৮টি গ্রামের শতাধিক বাড়িঘরের ও একটি স্কুলের চাল উড়ে গেছে। গাছের ডালপালা ভেঙেপড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবু তাহির জানান, তিনি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ ঘটনার পরপরই ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে প্রাথমিকভাবে বলা যায় শতাধিক বাড়িঘর ও একটি স্কুলের চাল উড়ে গেছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। এর মধ্যে ৫ জনকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন বলেন, খবর পাওয়ার পর স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও এবং পিআইও অফিসের কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন এবং কিছু ত্রাণ দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
রেজাউল করিম রেজা/এএম/এমএস