কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপার্যের পদত্যাগ ও বিচারের দাবিতে ২য় দিনের মতো মঙ্গলবারও দিনভর তার কার্যালয়ে তালা লাগানো ছিলো। কুমিল্লা বিশ্ববিদালয়ের শিক্ষক নেতাদের একাংশ গত সোমবার এ তালা লাগায়।
তবে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে শিক্ষকদের ভিসি বিরোধী এ আন্দোলনকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে মতবিরোধকে দায়ী করেছেন। কুবি সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে দুর্নীতি, অনিয়ম, উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে শিক্ষকরা তার কার্যালয়ে এ তালা লাগায়। এসময় উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে প্রতিহত এবং ক্যাম্পাসে তাকে অবাঞ্ছিত করার ঘোষণা দেয় শিক্ষক সমিতি।
আন্দোলনকারী শিক্ষক নেতারা বলেন, ৮ম জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সব ধরনের ডেপুটেশন ভাতা বাতিল করা হলেও উপাচার্য প্রতি মাসে নিয়মিত ১৫ হাজার ২৯৮ টাকা করে নেন। এছাড়া তিনি নিয়োগসহ বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি। এদিকে গত তিনদিন ধরে নিজ কার্যালয়ে আসেননি উপাচার্য।
এসব বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ মুঠো ফোনে বলেন, কতিপয় শিক্ষক নেতা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে, তাদের কাছে যদি কোনো প্রমাণ থাকে তাহলে তারা তা ইউজিসি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে পারে। কিন্তু এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে তারা (শিক্ষকরা) শুধু আমাকেই নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয়কে ছোট করছে, এর সুনাম নষ্ট করছে।
ভিসি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে যে কোনো ভিসির মেয়াদের শেষ সময়ে এসে কতিপয় শিক্ষকদের এ রকম আচরণ এখন ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্য ভিসির শেষ সময়ে যা হয়েছে, আমার সময়েও তা হচ্ছে।
কামাল উদ্দিন/এমএএস/আরআইপি