পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় নকল সরবরাহ এবং প্রশ্নপত্র জালিয়াতির ডিভাইসসহ আট জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটকদের মধ্যে দুই জনকে দুই বছর করে এবং অন্য ছয় জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন মনিরা।
সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন মনিরা তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। পুলিশ সূত্র জানায়, উল্লাপাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে ও শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র খালিদ বিন হাফিজ ওরফে নিলয়কে (২০) শহরের এলএমবি মার্কেটের স্টার হোটেল থেকে পাঁচটি ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ও নানা সরঞ্জামাদিসহ আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেন।
পাবনার আমিনপুরের নজরুল ইসলামের ছেলে ও শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাকিবুল ইসলামকে (২৯) শালগাড়ীয়ার গোলাপবাগ থেকে আটক করা হয়। তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
এছাড়াও সদর উপজেলার তারাবাড়ীয়া গ্রামের সাইদ হোসেনের ছেলে মৃদুল (২০), ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মাহবুবুল আলম (২০), চাটমোহরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে শাহরিয়ার (২০), পাবনা শহরের দক্ষিণ রাঘবপুরের আহমেদ আলীর ছেলে তারেক হাসানকে (২২) ৮ টি ডিভাইসসহ, ফরিদপুর উপজেলার বনোয়ারীনগর গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে রাকিবুল ইসলাম ( ২০) ও আতাইকুলার ফলিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শরিফুলকে (২০) আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে একই বিচারক তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
একে জামান/আরএআর/আইআই