দেশজুড়ে

সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ২৫ হাজার মানুষ

সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের পোরগোলা-ভোরা গ্রামে যাওয়ার সেতুটি এক বছর আর একপাই জুজখোলা গ্রামে যাওয়ার সেতুটি আট বছর অগে ভেঙে খালে পড়ে গেছে। জেলা সদর থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দুরত্বে এ ভেঙে পড়া সেতু দুটি পুনঃনির্মাণ না হওয়ায় ভোরা, পোরগোলা, পশ্চিম কদমতলা, রাজারকাঠী, একপাই জুজখোলা ও বাগমারা গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ সদর ও কদমতলা ইউনিয়নে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। পিরোজপুর শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শত শত শিক্ষার্থী।

কদমতলা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য মাওলানা দ্বীন ইসলাম জানান, খানাকুনিয়ারি মূল খারের গুদিঘাটার লোহার সেতুটির পশ্চিম প্রান্তের ৭০ ফুট ২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিকেলে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার পর কিছুদিন নৌকায় খাল পারাপারের পর সুপারি গাছ ও বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। অপরদিকে খানাকুনিয়ারি মাদরাসার সামনের খালের লোহার সেতুটি আট বছর আগে ভেঙে পড়েছে। বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে।

২নং কদমতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হানিফ খান বলেন, এটি আমাদের পরিষদের আওতায় নয়। তবে আমি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্ময় সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ারকে বলেছি। বিষয়টি আমাদের এমপিকেও জানিয়েছি। আমি যতদুর জানি এটি নিমার্ণের প্রক্রিয়া চলছে। পিরোজপুর সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী (এলজিইডি) অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ লোহার সেতুগুলোর একটি তালিকা এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে অনেক আগেই পাঠানো হয়েছে। সে তালিকায় কদমতলা ইউনিয়নের সেতু গুলোর নাম রয়েছে।

হাসান মামুন/এফএ/এমএস