দেশজুড়ে

ধানের কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষক

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে আমনের উৎপাদন ভালো হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা। কৃষকরা বলছেন, উৎপাদন খরচ ও বিক্রয় মূল্যের মধ্যে খুব বেশি ব্যবধান নেই। ফলে বর্গাচাষিরা লাভের মুখ দেখছেন না।

তবে সরকারিভাবে চাল ক্রয় শুরু হলে ধানের দাম বাড়বে বলে জানিয়েছে জেলা খাদ্য বিভাগ।

দেশে আমন ধানের বড় একটি অংশ উৎপাদিত হয় উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে। এই অঞ্চলের কৃষি জমি আমন আবাদের উপযুক্ত হওয়ায় কৃষকরা শতভাগ জমিতে আমন অবাদ করেন। এ বছর বাজারে প্রতি মণ আমন ধান ৭২০ থেকে ৭৩০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় আয়-ব্যয়ের ব্যবধানটা বেশি নয় বলে দাবি কৃষকদের। এর ফলে জমির মালিকরা লাভের মুখ দেখলেও বর্গাচাষিরা আমন ধানে লাভ করতে পারবে না বলে মনে করছেন কৃষকরা।

গলাচিপার খারিজ্জমা গ্রামের কৃষক মো. আউয়াল খা জাগো নিউজকে বলেন, কারেন্ট পোকা ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হওয়ায় জমিতে কীটনাশক দিতে হয়েছে। এ বছর শ্রমিক, সার, বীজ ও কীটনাশকে বাড়তি ব্যয় হয়েছে। ফলে আমাদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। ধানের যে দাম তা উৎপাদন খরচের খুব বেশি না। এ বছর আমনে কোনো লাভ হবে না।

একই গ্রামের কৃষক নুরু খা জাগো নিউজকে বলেন,আমনে জমির মালিকরা লাভ করলেও আমার মতো বর্গাচাষিরা আমন ধানে লাভ করতে পারবে না। সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করুন।

তবে পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুল হক জাগো নিউজকে বলেন, এ বছর সরকার ৩৯ টাকা কেজি দরে সারা দেশে থেকে তিন লাখ মেট্রিক টন আমন চাল সংগ্রহ করবে। মাঠ পর্যায়ে এই চাল সংগ্রহের কাজ শুরু হলে দাম কিছুটা বাড়বে।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/আরএআর/জেআইএম