ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০১৮ তে আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের ভরাডুবি হয়েছে। ১৫টি পদের মধ্যে একটি সদস্য পদ ছাড়া বাকি ১৪টি পদেই বিএনপি-জামায়াত পন্থী প্যানেল জয়লাভ করেছে।
সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির অধ্যাপক মিজানূর রহমান (১৬৪) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জামায়াতের অধ্যাপক অলী উল্যাহ (১৪৪)।
শিক্ষক সমিতিতে আওয়ামী পন্থীদের হারের পেছনে সিনিয়রদের অবমূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলকেই দুষলেন এক সিনয়ির শিক্ষক। তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রতিফলন ঘটেছে এই ভোটে। এছাড়া সিনিয়ররা এবারের নির্বাচনে অবমূলায়িত হয়েছে এটিও আরেকটি অন্যতম কারণ।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে অনুষদ ভবনের ৪২৭নং কক্ষে চলে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক কাজী আখতার হোসেন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফলে সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪ পদে বিএনপি জামায়াতপন্থী এবং আওয়ামী প্যানেল থেকে একমাত্র আনিচুর রহমান ১৪১ ভোট পেয়ে ১০ নম্বর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া অন্যান্য পদে নর্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি পদে অধ্যাপক শহীদ মোহাম্মদ রেজওয়ান (১৫৮) এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক মাহবুবর রহমান পেয়েছেন ১১৬ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক এ এস এম আইনুল হক আকন্দ ১৫৯ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সহযোগী অধ্যাপক বাকী বিল্লাহ পেয়েছেন ১১১ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে আসাদ-উদ-দৌলা ১৪৬ নির্বাচিত হয়েছেন এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসেন আজাদ পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক আবু সিনা(১৫৪), অধ্যাপক নজিবুল হক (১৬৫), অধ্যাপক তোজাম্মেল হোসেন(১৫৪), অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান(১৫১), অধ্যাপক নুরুন নাহার(১৪৯), অধ্যাপক ওবায়েদুল ইসলাম(১৪৫), অধ্যাপক এ কে এম রাশেদুজ্জামান (১৫৪), অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান (১৫২) ও অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম(১৪৯)।
ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/এফএ/আরআইপি