দেশজুড়ে

কালভার্টে বাঁধ, ডুবেছে ৭ একর জমির পাকা ধান

মহিপুরের ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের বরকুতিয়া গ্রামের পানি নিষ্কাশনের সরকারি কালভার্টে বাঁধ দিয়ে পুকুর খনন করেছে একটি প্রভাবশালী মহল।

ফলে স্থানীয় হাজি আউয়াল, রেদওয়ান কাজি, হাবিবুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, আ. খালেক প্যাদা, জয়নাল, লিটন মাস্টার, সবুজ মৃধার ৭ একর জমির পাকা ধানখেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পানি নিষ্কাশন খালের পূর্ব দিকে সরকারি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে পুকুর খনন করেছে মনসাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. লিটন মাস্টার।

খালের পশ্চিম দিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর খনন করেছে ওই এলাকার কৃষক হেল্লাল, সেলিম, আলমাছ সরদার, বজলু প্যাদা, হাবিবুর রহমান প্যাদা।

ফলে সম্প্রতি বৃষ্টির পানি জমে কৃষকদের ৭ একর জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে যায়। নিরূপায় কৃষকরা জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছে না। এমনকি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাখাওয়াত হোসেনও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।

পশ্চিম পাশের খালে বাঁধ দিয়ে পুকুর খনন করা কৃষকরা বলেন, আমরা পুকুর কেটেছি উঁচু জমিতে। বর্তমানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পশ্চিম দিক থেকে নিষ্কাশন হবে না। পূর্ব দিকটা নিচু। লিটন মাস্টার কালভার্টের মুখের বাঁধটি কেটে দিলে পানি নিষ্কাশন হবে।

লিটন মাস্টারের বড় ভাই সাবেক ইউপি সদস্য মো. তৈয়বুর রহমান মৃধা বলেন, ধানখেতে জমা থাকা পানি দুই দিক থেকেই নিষ্কাশন হবে। তারা পশ্চিম দিক থেকে পুকুর বাঁধ কেটে দিলে আমরাও কালভার্টের মুখ কেটে দেব।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, পানি নিষ্কাশনের সরকারি কালভার্ট কেউ বন্ধ করে রাখতে পারে না। আমি লিটন মাস্টারকে বার বার বলা সত্ত্বেও তিনি আমার কথা শুনছেন না। তবে ধানখেতে বর্তমানে জমা থাকা পানি কালভার্ট ছাড়া নিষ্কাশনের কোনো পথ নেই।

এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এএম/আইআই