দেশজুড়ে

কম্বল পেয়ে মুখে হাসি

প্রচণ্ড শীতে কাতর ফাতেমা বেগমের মুখে এখন অকৃত্রিম হাসি। সদর উপজেলার সত্যপীর ব্রিজ এলাকার এই গৃহবধূ কদিন ধরে শীতে কষ্টে দিন যাপন করছিলেন। দারিদ্র্যতার কারণে লেপ বা কম্বল কেনা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই নতুন কম্বল হাতে পেয়ে খুশি তিনি। তার মতো সখিনা বেগম, ফরিদা বেগম, অন্তরা আক্তারও নতুন কম্বল পেয়ে খুশি।

কম্বল পেয়ে তারা বলেন, এই শীতে একটি কম্বল কত প্রয়োজন তা একমাত্র শীতে কষ্ট পাওয়া গরিব মানুষরাই ভালো জানে।

মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা সত্যপীর ব্রীজ এলাকার বি আখড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কম্বল নিতে আসা শীতার্তরা এভাবেই তাদের খুশির বর্ণনা দিচ্ছিলেন।

‘শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়াই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ইউনিটি ক্লাবের আয়োজনে প্রায় ২০০ জন অসহায়, দুস্থ, শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

ওই এলাকার গৃহবধূ রাবেয়া বেগম বলেন, অভাবের তাড়নায় দুই বেলা খেতে পাই না। শীতের কাপড় কিনব কী করে? তাই ঠাণ্ডার ভয়ে বিকেল হলেই ঘরে দরজা দিয়ে থাকি। দম ফেলতে পারি না। কম্বলটা পেয়ে এখন কিছুটা চিন্তামুক্ত হলাম।

কম্বল বিতরণের সময় ঠাকুরগাঁও চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের পরিচালক নুরে শাহাদাত স্বজন, ইউনিটি ক্লাবের সভাপতি মামুন উর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ মানিক, সাংঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান লিটন, সুমন, জাহিদ, তাহেরসহ ইউনিটি ক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রবিউল এহসান রিপন/আরএআর/এমএস