ক্যাম্পাস

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৭ জানুয়ারি শনিবার জাগো নিউজে ‘জাবিতে গবেষণাপত্রে ভুল তথ্য দেয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গবেষণাপত্রের ৭ লেখক।

জাগো নিউজে পাঠানো এক বিবৃতিতে শারমিন আক্তার শিমু, তাজউদ্দিন সিকদার ,মোস্তাফিজ রহমান, সুব্রত বণিক, মো. জামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, মাহমুদা আক্তার জানিয়েছেন, সংবাদটি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন। যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথা গবেষণাপত্রের লেখকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

উল্লেখিত গবেষণাপত্রে কোথাও কোনো প্রকার ভুল বা মিথ্যা তথ্য পরিবেশিত হয়নি এবং কারো সঙ্গে কোনো ধরনের কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্টও নাই। উক্ত গবেষণাপত্রে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ৪ জন শিক্ষক এবং জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ জন অধ্যাপকসহ ৯ জন Co-author আছেন যা এটিকে যৌথ গবেষণাপত্রের মর্যাদা দিয়েছে। এ ধরনের প্রকাশনা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত এবং সমাদৃত।

গবেষণাপত্রের কোথাও উল্লেখ নাই যে, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের FAAS প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে Water Quality Analysis করা হয়েছে। সুতরাং ওই অভিযোগ সম্পূর্ণরুপে ভিত্তিহীন।

ওই গবেষণাপত্রে দুটি অংশ রয়েছে, একটি Landuse সংক্রান্ত এবং অপর অংশ হচ্ছে Water Quality Analysis। Landuse অংশটুকু শারমিন আক্তার শিমুর অনার্স প্রজেক্ট এর অংশ, যার সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন মো. জামাল উদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাবি। অপরদিকে ড. তাজউদ্দিন শিকদার এর সার্বিক তত্তাবধায়নে Water Quality Analysis অংশটুকু মাহমুদা আক্তার Bangladesh Atomic Energy Commission থেকে এমএসসি থিসিস এর অংশ হিসেবে সম্পন্ন করেছেন এবং পরবর্তী সময় একজন কো-অথর হিসেবে গবেষণাপত্রটিতে তার নাম উপস্থাপিত আছে।

এছাড়াও গবেষণাপত্রটির গুণগতমান আনয়নকল্পে অপরাপর বিজ্ঞ অথরগণ ভূমিকা রাখেন। যার ফলশ্রুতিতে গবেষণাপত্রটি একটি যৌথ গবেষণাপত্র রূপে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়। সুতরাং গবেষণাপত্রটির Water Quality Analysis অংশটি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে মো. জামাল উদ্দিনের কোনো ও সম্পৃক্ততা নাই। একাডেমিক এথিকস অনুযায়ী শুধু Corresponding author-এর সঙ্গে গবেষণাপত্র তথ্যসংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করা বাঞ্ছনীয়।

আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে অনলাইন মিডিয়াটি ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে পাঠককে সঠিক তথ্য দেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

এমএএস/এমএস