গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নেতারা। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২টি মামলায় প্রায় ১৫০ জনকে আসামি করেছে পুলিশ। ফলে গত দুই দিন প্রকাশ্যে তেমন দেখা মিলছে না জেলা বিএনপির নেতাদের।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সিলেট আগমন উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ব্যাপক শোডাউনের চেষ্টা করে মৌলভীবাজার বিএনপি। কিন্তু পুলিশি বাধায় দাঁড়াতে পারেনি তারা। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর শেরপুর পৌঁছালে ঝটিকা মিছিল করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এতে পুলিশ ধাওয়া দিলে উত্তেজিত হয়ে পড়ে বিএনপি কর্মীরা। পরে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এ ঘটনায় পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০-৪৫ জনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ। এই মামলায় ৪ জন গ্রেফতার হয়েছেন বাকি আসামি ধরতে অভিযান অব্যহত আছে।
এছাড়া ওই দিন বিকেলে শ্রীমঙ্গলে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে এক বিএনপি নেতা এবং শ্রীমঙ্গল থানার ওসিসহ ২ পুলিশ আহত হন। পরে পুলিশ বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ ও ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করে এবং ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে।
এই দুই মামলার আসামি ধরতে এবং নাশকতা এড়াতে মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতাদের বাসায় এবং সম্ভাব্য সব জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেফতার এড়াতে অনেকেই আত্মগোপনে চলে গেছেন। প্রকাশ্যে তেমন দেখা যাচ্ছে না বিএনপি নেতাদের।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মিজানুর রহমান জানান, সরকার সব ধরনের নাগরিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ৮০ জন কর্মীর বিরুদ্ধে কোনো কারণ ছাড়াই মামলা করেছে পুলিশ। সেদিন শেরপুরে পুলিশের সঙ্গে কোনো ধরনের সামান্য ধস্তাধস্তিও হয়নি।
এদিকে মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমদ জানান, আসামি ধরতে অভিযান অব্যহত থাকবে এবং নাশকতা এড়াতে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে।
এফএ/আরআইপি