দেশজুড়ে

পাহাড়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৪ উপজাতি সন্ত্রাসী আটক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও র‌্যাব-৭ যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গুলিসহ ২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। এসময় চার উপজাতি সন্ত্রাসীকে আটক করেছে অভিযানকারী দলটি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়ার সীমান্ত উপজেলা বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর রাজাপাড়া এলাকার পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন।

আটকরা হলেন, লামা উপজেলার ত্রিডেবা এলাকার উছা মং'র ছেলে তুইসা মং (৩৬), চালাচিং মারমার ছেলে এক্য মারমা (৩৯), মৃত চিনকং মারমার ছেলে মিফং মারমা (৪৫), এবং মশিউলা মারমার পুত্র চাইনুং মারমা (৩৬)।

কোম্পানি কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি এলাকায় উপজাতি সন্ত্রসীরা খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক চোরাচালান, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এসব সন্ত্রাসীদের ধরতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে আমাদের গোয়েন্দা সদস্যরা। বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি, লামা ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর রাজাপাড়া পাহাড়ি এলাকায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুদ করেছে সন্ত্রাসীরা। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন এবং র‌্যাব-৭ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ১৪টি এসবিবিএল, ১১টি ওয়ান শুটার গান ও ২ হাজার ৩৭ রাউন্ড গুলি, শর্টগান ও গুলিসহ তাদের আটক করা হয়।

রুহুল আমিন জানান, অপহরণ ও ডাকাতির লক্ষে তারা এসব অস্ত্র মজুদ করেছিল। পাহাড়ি এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে র‌্যাব সব সময় প্রস্তুত রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলার প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/পিআর