দেশজুড়ে

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দিতে হবে

গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র অ্যাভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন বলেছেন, জাতিসংঘের সপ্তম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দিতে হবে। এ যৌক্তিক দাবিতে আজ আমরা গাইবান্ধায় সমবেত হয়েছি। বাংলা ভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে জাতিসংঘ ইতিপূর্বে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে আমাদের গৌরবান্বিত করেছে।

জাতিসংঘের সপ্তম দাপ্তরিক ভাষা হোক বাংলা অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কম ও প্রাণ গ্রুপের সহযোগিতায় গাইবান্ধা পৌরপার্কের শহিদ মিনার চত্বরে সোমবার অনলাইন আবেদনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা অবশ্যই আজকে দাবি করতেই পারি, আমাদের এ ভাষা যে ভাষাকে আপনারা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পরিগণিত করেছেন সেই ভাষাকে অবশ্যই জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

দুপুরে পৌরপার্কের শহিদ মিনার চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহিদ মিনার চত্বরে জাতিসংঘে বাংলা চাই অনলাইন আবেদনের ভোটিং বুথে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বাবু। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু ও জাগো নিউজের গাইবান্ধা প্রতিনিধি রওশন আলম পাপুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

এছাড়া অনলাইন আবেদনে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ ও আসাদুজ্জামান গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে পৃথক-পৃথক বুথে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা বাংলা চালু করার দাবিতে অনলাইনে ভোট প্রদান করেন শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্থী।

জাতিসংঘে দাপ্তরিক ভাষা বাংলা চালু করার দাবিতে অনলাইন আবেদনে মুক্তিযোদ্ধা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, চাকরিজীবী, গৃহিণী ও শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

রওশন আলম পাপুল/এমএএস/এমএস