বেনাপোলে দুই সন্তানের জননী খালেদাকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শারীরিক নির্যাতন করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটপাট করে নিয়ে গেছে একাধিক মামলার আসামি মাদক সম্রাট শহিদ (৪০)। এ সময় বাধা দিতে গেলে খালেদার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হানেফ কাজীকে ও মারধর করে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। আহতরা শার্শার নাভারন বুরুজ বাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ধর্ষণ চেষ্টাকারী শহিদ বেনাপোল পোর্ট থানার কাগমারি গ্রামের শওকাত হোসেনের ছেলে।
খালেদা জানান, শার্শা উপজেলার দিঘিরপাড়ায় খালেদার বাসায় রোববার বিকালে বৃদ্ধ বাবা ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। এ সুযোগ কাগমারী গ্রামের একাধিক মামলার আসামি ফেনসি শহীদ ও তার সহযোগি একই গ্রামের বাবলুর ছেলে মানিক ও বাবর আলীর ছেলে রনি এসে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে তারা। এসময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে এবং পিঠে লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। এ সময় তার বৃদ্ধ বাবা ঠেকাতে আসলে তার পেটে আঘাত করে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়না তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে এ ব্যাপারে মামলা করবে বলে জানায় খালেদা।
আহত মুক্তিযোদ্ধা হানেফ কাজী জানায়, শহীদ যখন বাড়িতে প্রবেশ করে তখন তার কোমরে পিস্তল এবং অন্য দুইজনের হাতে হাতুড়ি ও লোহার রড ছিল। পরে দুর্বৃত্তরা তার ওয়ার্ডড্রপ ভেঙ্গে ৪১ হাজার টাকা, স্বর্ণের এক জোড়া কানের দুল, হাতের রুলী ও একটি আংটি নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) ফিরোজ উদ্দিন বলেন, শহীদ একাধিক মামলার আসামি। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। গৃহবধূ ও তার পিতাকে মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মো. জামাল হোসেন/ আরএ/আরআইপি