নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে যা যা প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন তাই ব্যবস্থা করবে। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে প্রয়োজনে নির্বাচন স্থগিত করে আবারও নির্বাচন দেয়া হবে।
শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আসন্ন পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনগণের জানমালের যেন ক্ষতি না হয় সেদিকে আমাদের সর্বোচ্চ দৃষ্টি থাকবে। কোনো প্রার্থী কিংবা কর্মকর্তা আইনের চোখে অপরাধী প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য হোক। কিন্তু কোনো দল যদি নির্বাচনে না আসে সেটা তাদের বিষয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমীনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব এসএম আসাদুল্লাহ ও টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, কালিহাতী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুর রহমান মনির, কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন, কালিহাতী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদ আহমেদ সিকদার, এলেঙ্গা পৌরসভা, বাংড়া এবং মাহমুদনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ মার্চ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা ও বাংড়া ইউনিয়ন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর এবং ঘাটাইল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আরিফ উর রহমান টগর/আরএআর/আরআইপি