কক্সবাজারের টেকনাফে একটি জঙ্গল থেকে ৭ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে যৌন নিপীড়নের পর হত্যা করা হচ্ছে।
জানা গেছে গত ২২ এপ্রিল বিকেলে বাহারছড়ার উত্তর শীলখালি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে একটি মিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মো. আজিজ (১৮) নামে এক যুবককে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক পুলিশকে জানায়, গত যৌন নিপীড়নকালে চিৎকার রোধ করতেই সে শিশুটির গলা চেপে ধরে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটি মারা যায়।
২৩ এপ্রিল সে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রাজীব কুমার দেবের আদালতেও ১৬৪ ধারায় একই স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
অভিযুক্ত আজিজ কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউপির গোমাতলীর জাগির হোসেনের ছেলে। তবে সে কাজের জন্য টেকনাফের শীলখালি থাকতো।
আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে আজিজ উল্লেখ করেছেন, গত ১৮ এপ্রিল সাত বছরের ওই শিশুকে আদর করার দায়ে শিশুটির বাবা তাকে মারধর করে। এ কারণে সে ২১ এপ্রিল শিশুটিকে একা পেয়ে ফুঁসলিয়ে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে যৌন নিপীড়ন করার সময় শিশুটিকে সে চিৎকার করে। আওয়াজ থামাতে সে শিশুটির গলা চেপে ধরে। তখন নিজের অজান্তেই শিশুটি মারা যায়। এরপর তাকে লতাপাতায় জড়িয়ে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। সেখান থেকে ২২ এপ্রিল শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা।
কক্সবাজার আদালত পুলিশের পরিদর্শক কাজী দিদারুল আলম বলেন, ধৃত আজিজ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
টেকনাফ থানার ওসি রনজিত বড়ুয়া জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর দেখা যায় যৌন নিপীড়নের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। তখন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে আজিজকে সন্দেহ করা হয়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এ ঘটনায় নিজের দায় স্বীকার করে সে। একই কথা সে আদালতকেও বলেছে।
এমএমজেড/এমএস