দেশজুড়ে

ল্যাপটপ ফিরিয়ে দিতে মালিকদের খুঁজছে পুলিশ

কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি কিংবা ছিনতাই হওয়া ২৭টি ল্যাপটপ, দুটি আইফোনসহ বেশ কয়েকটি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন জব্দ করেছে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া এসব জিনিস ফিরিয়ে দিতে মালিকদের খুজঁছে পুলিশ। গত ২৭ মে দিনগত রাতে শহরের বাহারছড়া থেকে এসব চোরাই ল্যাপটপ ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। এ সময় কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যম বাহারছড়ার শফিউল আলমের ছেলে আসিফ উল হাসান সিফাতকে (২৪) গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মানস বড়ুয়া বলেন, দুটি ল্যাপটপ ও দুটি আইফোন চুরির একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব ছিল কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের এসআই আবুল কালামের কাছে। চুরি হওয়া সেই মালামাল উদ্ধার এবং চোরকে ধরতে কাজ করছিল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এরই সূত্র ধরে ফোনের আইএমই নম্বর ট্র্যাকিং করে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যম বাহারছড়ার আসিফ উল হাসান সিফাতকে। পরে তার বাসা থেকে বাকি ল্যাপটপ ও আইফোন উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া ল্যাপটপ ও মোবাইল প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দিয়ে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের এসআই আবুল কালাম বলেন, ১০ এপ্রিল হোটেল মোটেল জোনের হোটেল বে টাচ থেকে আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থাতে কর্মরত দিবারা মাহাবুবার দুটি ল্যাপটপ ও দুটি আইফোন চুরি হয়।

এ ঘটনায় ৩ মে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই ১৬ মে দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার এবং দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের স্বাকীরাক্তি অনুসারে পর্যবেক্ষণে রাখা হয় সিফাতের গতিবিধি। পরে ২৭ মে ২৭টি ল্যাপটপ ও দুটি আইফোনসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, দিলারা মাহাবুবের দায়ের করা সেই মামলায় অভিযুক্ত সিফাতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি ল্যাপটপ ও মোবাইলগুলো আমার জিম্মায় রয়েছে। এগুলো ক্রয় কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) কামরুল আজম বলেন, ইতোপূর্বে যাদের ল্যাপটপ চুরি হয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ তাদেরকে সদর থানায় যোগাযোগ করতে বিভিন্নভাবে জানানো যাচ্ছে। কাগজপত্র মিলে গেলে তাদেরকে ল্যাপটপে ফেরত দেয়া হবে। ইতোমধ্যেই একটি ল্যাপটপ ও একটি আইফোন মালিককে ফেরত দেয়া হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সিফাত তার সঙ্গে জড়িত অনেকের নাম বলেছে। এদের মাঝে শহরের সব কাজের নাটেরগুরু হিসেবে পরিচিত একজনের নামও এসেছে। তার সমস্ত কর্মকাণ্ড নজরে রাখা হয়েছে। সময়মতো তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/জেআইএম