চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় দাফনের ২০ দিন পর পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য মোটরসাইকেল মিস্ত্রি জাকির হোসেনের (৩০) মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফকরুল আহম্মদের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। জাকির হোসেন উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই সকালে পারিবারিক কলহের জের ধরে মোটরসাইকেল মিস্ত্রি জাকির হোসেন দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা মোহাম্মদপুরস্থ ভাড়া বাড়িতে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিন সন্ধ্যায় তাকে দাফন করা হয়।
জাকিরের মৃত্যুর ব্যাপারে বাবা লাল মিয়ার সন্দেহ হলে তিনি দামুড়হুদা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর জাকিরের স্ত্রী বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
গত ১৭ জুলাই জাকিরের বাবা লাল মিয়া বাদী হয়ে জাকির হোসেনের স্ত্রী বর্ষাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুস আলী বলেন, হত্যা না আত্মহত্যা জানা যায়নি। তবে আগের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখনও আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। আজ আবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সালাউদ্দিন কাজল/এএম/জেআইএম