দেশজুড়ে

ভুটানকে বিনামূল্যে ২৫৮ প্রকার ওষুধ দিচ্ছে সরকার

ভুটানকে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২৫৮ প্রকার ওষুধের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হবে। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে এসব ওষুধ হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ২০১৭ সালের এপ্রিলে ভুটান সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটান সরকারকে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই এসব ওষুধ দেশটির সরকারকে দেয়া হচ্ছে।

এ নিয়ে গতকাল রোববার ভুটান ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুড়িমারী স্থলবন্দরে। এতে বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের দলে নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল ওহাব খান ও ভুটানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভুটান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সোনম দাওয়া।

আরও উপস্থিত ছিলেন বুড়িমারী স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার (এসি) একেএম খায়রুল বাশার, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

বৈঠকে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম চালান, ৩১ অক্টোবর দ্বিতীয় ও ৩০ নভেম্বর তৃতীয় চালানের মাধ্যমে ২৫৮ প্রকারের ওষুধ ভুটান সকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রায় ২০ কোটি টাকার এসব ওষুধ ভুটান হেলথ ট্রাস্ট ফান্ডে অনুদান হিসেবে প্রদান করা হবে।

ওষুধগুলো বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত বিনা ভাড়ায় পৌঁছানোসহ লোড-আনলোড খরচ বাংলাদেশ সরকার বহন করবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল ওহাব খান বলেন, গত বছরের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটান সফরকালে দেশটিকে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। পরে ভুটান থেকে ৪২৯ প্রকার ওষুধের একটি তালিকা পাঠানো হয়। ওই তালিকা অনুযায়ী ২৫৮ প্রকার ওষুধ পাওয়া গেছে যা তিন ধাপে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে হস্তান্তর করা হবে।

এমএএস/আরআইপি