আমার মেয়ে মেঘলা খাতুন খুকুমনিকে ভারতে পাচার করে দিয়েছে ওরা। পহেলা সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি সে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ১০ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। কিন্তু আজও কোনো সন্ধান মেলেনি তার।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে এসব কথা জানান সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের মাঠপাড়া গ্রামের কওছার আলি ও তার স্ত্রী শরিফা খাতুন।
মেয়েটির বাবা আরও বলেন, পাথরঘাটা গ্রামের আসাদুলের স্ত্রী আমার মেয়ে মেঘলাকে ভারতে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে বলে জেনেছি। মেয়ে বাড়ি থেকে যাওয়ার পর তিন চারদিন আসাদুলের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। তাকে পুলিশ আটক করলে প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে।
মেয়েটির মা শরিফা খাতুন জানান, আমার মেয়ে স্থানীয় মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। গত ২২ দিন ধরে নিখোঁজ। অথচ প্রকাশ্যে রয়েছে পাচারকারীরা। আমরা আমাদের মেয়ের সন্ধান চাই।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ওই নারীর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। আর মেয়েটিকে পাচারের যে অভিযোগ করছে তার মা-বাবা বিষয়টি থানাতে জানালে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আকরামুল ইসলাম/এমএএস/পিআর