ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় মাছের অভয়াশ্রম হওয়ায় মাছ শিকার, মজুত, পরিবহন ও বাজারজাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। এতে বেকার হয়ে কিছুটা মনোবল হারিয়ে ফেলেন জেলেরা। জেলেদের মনোবল ফিরিয়ে এনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালনের জন্য ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ফিশের ইকোফিশ।
রোববার বিকেলে ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চর টবগি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দুই শতাধিক জেলে ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কয়েকটি ইভেন্টে মোরগ লড়াই, ১০০ মিটার দৌড়, বেতখেলা, বালতিতে বল নিক্ষেপ ও বেলুন খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়সহ অংশগ্রহণকারী সবাইকে পুরস্কার দেয়া হয়।
ভোলার ওয়ার্ল্ড ফিশের রিসার্স অ্যাসোসিয়েট অংকুর মোহাম্মদ ইমতিয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৌলতখান উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন।
বক্তারা বলেন, সরকার সবসময় জেলেদের কথা ভাবে। জেলেদের কথা চিন্তা করে নদীতে প্রচুর মাছ শিকার করার জন্য মাছ ধরার প্রতি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে। নদীতে যেহেতু প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে, এই সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের। তাই সবাইকে সরকারি নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সতেচন হতে হবে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। তবেই জেলেদের কোনো অভাব ও দুঃখ থাকবে না।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- কোস্ট ট্রাস্ট ইকোফিশ প্রকল্পের কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ফিশের গবেষণা সহায়ক শেখ মো. সাঈফ উল হক চিশতী ও কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী প্রমুখ।
এএম/জেআইএম