নির্বাচন সংক্রান্ত একটি মামলায় নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদ হোসেন রুবেলকে আটক জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাফিরুল হকের আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাচনে জলঢাকায় শহীদ হোসেন রুবেল চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের আয় ব্যয়ের রির্টান ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে জমা দেননি। ফলে স্থানীয় সরকার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০০৮ এর ৭৪ বিধি অনুযায়ী এবং ৫৫ বিধি লঙ্ঘনের শাস্তিযোগ্য অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সূত্র আরো জানায়, ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট তৎকালীন উপজেলা নির্বাচনের নীলফামারী জেলার রির্টানিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিদ্দিকুর রহমান বাদি হয়ে শহীদ হোসেন রুবেলে বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর থেকে শহীদ হোসেন রুবেল দীর্ঘদিনেও আদালতে হাজিরা না দেয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।ওই মামলার ঘটনার দীর্ঘ ৬ বছর পর সোমবার দুপুরে শহীদ হোসেন রুবেল নীলফামারী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক শেখ মো. নাসিরুল হক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।আসামির পক্ষে আইজীবী আজাহারুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, শহীদ হোসেন রুবেল জলঢাকা উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। উপজেলা নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।জাহেদুল ইসলাম/এসএস