চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাখা ছাত্রলীগের একাংশের ছয় দফা দাবিতে চলমান ছাত্র ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। গতকাল পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষের পর ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ রয়েছে শাটল ট্রেন চলাচল। ক্যাম্পাস থেকেও শহরে ছেড়ে যায়নি শিক্ষকদের কোনো বাস।
সোমবার সকালে ষোলশহর স্টেশন মাস্টার (ভারপ্রাপ্ত) তন্ময় চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাটল ট্রেনে কোনো ধরনের অঘটন ঘটেনি আজ। তবে সকাল থেকে কোনো ট্রেন ছেড়ে যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে। তবে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে গতকাল ছাত্রলীগের ধর্মঘটে পরিবহন পুলে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক বাসের ত্রুটি সারানো যায়নি। ফলে সোমবার চট্টগ্রাম শহর থেকে শিক্ষকদের পরিবহনে কোনো বাস যেতে পারেনি। এতে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীশূন্য রয়েছে বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও দফতরগুলো।
এ ছাড়া ক্লাস পরীক্ষাও স্থগিত বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) একেএম নূর আহমেদ। তিনি বলেন, ট্রেন-বাস না চললে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কীভাবে আসবে? স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত।
প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকবাসগুলোর ত্রুটি সারানো যায়নি। ফলে শিক্ষকরাও ক্যাম্পাসে আসতে পারেননি। যেহেতু শিক্ষকরা আসতে পারেননি, তাই আমরাও রেলওয়েকে শাটল ট্রেন বন্ধ রাখতে বলেছি।
এদিকে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এনামুল হক আরাফাত জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ছাত্র ধর্মঘট অব্যাহত আছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে৷
আবদুল্লাহ রাকীব/এফএ/এমকেএইচ