যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, যুবকরাই সমাজের মূল চালিকা শক্তি। যুবকদের বয়সের কোনো সীমারেখা নেই। দেশের ৪৭ শতাংক জনগোষ্ঠী যুবক। বিশ্বে শান্তি নিয়ে আসতে হলে জনগণকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে। গবেষণালব্ধ এ কাজটি করে যুবলীগ। কল্পনাকে বাস্তবায়ন নানা কৌশলে করা যায়।
বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নওগাঁ শহরের নওযোয়ান মাঠে জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট খোদাদাদ খান পিটুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আহমেদ নাসিম পাভেল, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ-সম্পাদক আশরাফ হোসেন নবাব, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী বকু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, সদর আসনের এমপি ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, নওগাঁ-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান সরকার ও নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম প্রমুখ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে নওগাঁ জেলা যুবলীগের সর্বশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালে অ্যাডভোকেট খোদাদাদ খান পিটুকে আহ্বায়ক করে তিন মাস মেয়াদী ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এ আহ্বায়ক কমিটি চলে ছয় বছর। জেলা যুবলীগের মোট ১২টি সাংগঠনিক গ্রুপ রয়েছে। মহাদেবপুর ও পত্নীতলা উপজেলায় এখনো আহ্বায়ক কমিটি রয়েছে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে ২৫ জন সম্মেলনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এছাড়া বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ৩১ জনও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কাউন্সিলরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২৯ জন। তিনজন মারা যাওয়ায় বর্তমানে কাউন্সিলরের সংখ্যা ৩২৬ জন।
আব্বাস আলী/এএম/পিআর