দেশজুড়ে

পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে হতভম্ব ক্রেতারা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গতকাল রোববার সারাদিন ৭৫/৮০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হলেও রাতারাতি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা সোমবার মির্জাপুর বাজারে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দামের হেরফের দেখে হতভম্ব হয়ে যান। বিক্রেতারা বলছেন, দাম আরও বাড়বে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার। গতকাল রোববার এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। সোমবার মির্জাপুর বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকা দরে। ভারত ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ নেই বললেই চলে। দুই এক দোকানে থাকলেও সে পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। খুচরা বাজারে দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজের দামের কোনো ভেদাভেদ নেই। সব পেঁয়াজই এখন কেজি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হবে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

এদিকে দেশি পেঁয়াজের দরে হেরফের থাকার কারণে ক্রেতারা হতভম্ব হয়েছেন। ক্রেতারা বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মির্জাপুর বাজারে আসা মোর্শেদা আক্তার নামে এক গৃহবধূ জানান, রান্নায় অতি প্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আড়াই কেজি পেঁয়াজ ২৫০ টাকা দিয়ে কিনেছেন।

মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস জানান, তিনি মোসলেমের দোকান থেকে এক কেজি পেঁয়াজ ৯০ টাকা দিয়ে কিনেছেন।

পাশের ব্যবসায়ী মহব্বত হোসেন জানান, তিনি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

এদিকে রাতারাতি এতো দাম বেড়েছে কেন জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা জানান, কেন দাম বেড়েছে জানেন না তারা। তবে রোববার সারাদিন ৭৫/৮০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। সোমবার সকালে বেশি দাম দিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কেনার কারণে তারাও বেশি দামে বিক্রি করছেন।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মঈনুল হক জানান, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি কিংবা দামে হেরফের থাকার কোনো সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এস এম এরশাদ/আরএআর/এমকেএইচ