ফেনীর সোনাগাজী থানার যে ওসির (মোয়াজ্জেম) কারণে আসামিরা নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা করার সাহস পেয়েছে, সেই ওসির শাস্তি নিশ্চিত হলেই নুসরাতের আত্মা শান্তি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
বৃহস্পতিবার বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সব আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বার ভবনে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আজকে নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ১৬ জনের ফাঁসির রায় হয়েছে। আমি যে কথা বলতে চাই যে, প্রাথমিকভাবে এটা কমপ্লিট জাজমেন্ট। তবে যদি সাবেক ওসি মোয়াজ্জেমকে এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হতো তাহলে আমি মনে করি এটা পরিপূর্ণতা পেত। তারপরেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম সাহেব জেলে আছেন, তার বিচার শেষ পর্যায়ে। আমি মনে করি তার সাজা যদি কনফার্ম করা হয়, ন্যায় বিচারের মাধ্যমে যদি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে নুসরাতের আত্মা শান্তি পাবে।
নুসরাত হত্যা মামলায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।
এফএইচ/এমএসএইচ/জেআইএম